প্রথম ওডিআই ম্যাচে টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠায় নিউজিল্যান্ড। বরাবরের মত নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ব্যাটিং ব্যার্থতায় ৪১.৫ ওভার খেলে ১০ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশর সংগ্রহ দাঁড়ায় মাত্র ১৩১। যা কিনা বর্তমান যুগে একটি টি-টুয়েন্টি ম্যাচের এক ইনিংস রানেও সমান নয়।
ইনিংসের শুরুর দিকে তামিম ইকবাল ও লিটন দাসের ব্যাটে আশা জেগেছিল বাংলাদেশ দলের। কিন্তু ১৫ বলে ১৩ রান করে ট্রেন্ট বোল্টের বলে এলবিডব্লু হয়ে সাজ ঘরে ফেরেন তামিম ইকবাল। এপর ক্রিজে এসেই ট্রেন্ট বোল্টের বলে কট আউট হয়ে ডাক মেরে ক্রিজ ছাড়েন সৌম্য সরকার। লিটন ফেরেন ৩৬ বলে ১৯ রান করে। ইনিংসের সর্বোচ্চ রান ছিল মাহমুদউল্লাহ এবং মুশফিকুর রহিমের। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ করেন ৫৪ বলে ২৭ এবং মুশফিকুর রহিম করেন ৪৯ বলে ২৩ রান। পুরো ম্যাচ জুড়ে কোন ব্যাটসম্যান’ই আশানুরূপ ব্যাটিং করতে পারে নি। নিজেদের দিনে নিউজিল্যান্ডের বোলাররা নিজেদের জাত চেনাতে ভোলেন নি। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সর্বোচ্চ উইকেট পান ট্রেন্ট বোল্ট। তিনি ৮.৫ ওভার বল করে ২৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট স্বীকার করেন। এছাড়াও নিশান এবং শান্টনার ২ উইকেট করে স্বীকার করেন।
১৩২ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নিউজিল্যান্ডের ওপেনার মার্টিন গাপ্টিল এবং হেনরি ভালো একটা ষ্টার্ষ্ট দেয় নিউজিল্যান্ডকে। ১৯ বলে ৩৮ রান করে মার্টিন গাপ্টিল ফেরেন তাসকিনের বলে ততক্ষনে ম্যাচ প্রায় হাতের মুঠোয়। ওয়ানডাউন ব্যাটসম্যান কনওয়ে ৫২ বলে ২৭ রান করে হাসান মাহমুদের বলে আউট হয়ে ফেরেন। এই দুই উইকেটের পর ব্লাক ক্যাপদের আর পেছনে ফেরে তাঁকাতে হয় নি। ওপেনার হেনরি ৫৩ বলে ৪৯ রান এবং উইল ইয়ং ৬ বলে ১১ রানের ইনিং খেলে দলকে জয়ী করে মাঠ ছাড়েন। ফলাফলঃ ২১.২ ওভার খেলে ২ উইকেট হারিয়ে ১৩২ রান করে ৮ উইকেটে ম্যাচ জয়ী নিউজিল্যান্ড।
পরবর্তী খেলা – “দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচ” ২৩শে মার্চ বাংলাদেশ সময় সকাল ৭ টা – বাংলাদেশ vs নিউজিল্যান্ড।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে