ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেষ্ট হেরে দ্বিতীয় টেস্টেও চাপের মুখে বাংলাদেশ। 
দ্বিতীয় টেষ্টে টসে হেরে ফিল্ডিং করে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৪০৯ রান।
 ৩ টি হাফ সেঞ্চুরিত ও সকল প্লেয়ারের সম্মিলিত অংশগ্রহণে তারা এই বিশাল  স্কোর গড়েন।
প্রথম ইনিংসে ওয়েষ্ট ইন্ডিজের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন “জশুয়া ডা সিলভা” (৯২) – এছাড়াও  বোনার ৯০ – জোসেপ ৮২ – ক্রাইগ্গ ব্রাথউইট (৪৭) রান করেন।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি আবু জায়েদ এবং তাইজুল ইসলাম। আবু জায়েদের বোলিং ফিগার ২৮ ওভারে ৪ উইকেট এবং তাইজুলের বোলিং ফিগার ৪৬.২ ওভারে ৪ উইকেট। এছাড়াও সৌম্য সরকার এবং মেহেদি হাসান ১ টি করে উইকেট নেন।
বিশাল টার্গেট তাড়া করতে নেমে ওপেনার সৌম্য ৪ বলে ০ করে ফেরেন সাজ ঘরে – তার পর পরি শান্ত ফেরে ২ বলে ৪ রান করে। তামিম ফেরে ৪৪ রানে এবং অধিনায়ক মুমিনুল ফেরে ২১ রানে।
দলের বিপর্যয়ে হাল ধরেন মিথুন ও মিষ্টার ডিপেন্ডেবল ক্ষ্যাত মুশফিকুর রহিম।
তৃতীয় দিন বেশিক্ষ ক্রিজে টিকতে পারে নি মিথুন – মুশফিকুর রহিম সাজ ঘরে ফেরে ৫৪ রানে।
দল যখন খাঁদের কিনারে তখনি একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়ালো লিটন দাস ও মেহেদি হাসান মিরাজের জুটি। এই জুটিতে দল পেঁল শতকের উপর রান। হাফ সেন্সুরিও পেয়েছিল দু’জনেই। লিটন দাঁস সাজ ঘরে ফেরে ৭১ রানে – তার পর পরি মেহেদী হাসান মিরাজ ৫৭ রানে ফেরে প্যাভিলিয়নে। এর পর আর বেশিক্ষণ  টিকতে পারে নি বাংলাদেশ। ২৯৬ রানেই সমাপ্ত হয় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। ওয়েষ্ট ইন্ডিজ লিড পেয়ে যায় ১১৩ রানের।
প্রথম ইনিংসে ওয়েষ্ট ইন্ডিজের পক্ষে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী রাকিম কর্ণাওয়াল ও শ্যানন গ্যাবরিল।
কর্ণাওয়াল পায় ৫ উইকেট এবং গ্যাবরিল ৩ উইকেট।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষ সেশনে ৪১ রানে ৩ উইকেট হারায় ওয়েষ্ট ইন্ডিজ – সর্বোশেষ স্কোর ১৫৪ রানে এগিয়ে আছে ওয়েষ্ট ইন্ডিজ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে